সপ্তাহ শেষে কোম্পানিটির দর দাঁড়িয়েছে ৯ টাকা ৫০ পয়সায়, আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ৬ টাকা ৮০ পয়সা। এতে কোম্পানিটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে। ডিএসইর সাপ্তাহিক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বশেষ ২০২৩-২৪ হিসাব বছরের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে সাইফ পাওয়ারটেকের পর্ষদ। ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৭৬ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ১ পয়সায়।
২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে সাইফ পাওয়ারটেকের ইপিএস হয়েছে ৭৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৩২ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পাটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৬ টাকা ৩১ পয়সায়।
২০২১-২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে সাইফ পাওয়ারটেকের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৩২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৬৫ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পাটির শেয়ারপ্রতি এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৯১ পয়সায়।
২০২০-২১ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১৬ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। এর মধ্যে ১০ শতাংশ নগদ ও ৬ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ছিল। আলোচ্য হিসাব বছরে সাইফ পাওয়ারটেকের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৭৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ১৪ পয়সা। ৩০ জুন ২০২১ শেষে কোম্পাটির শেয়ারপ্রতি এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ১১ পয়সায়।
সাইফ পাওয়ারটেকের সর্বশেষ ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘এ২’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-৩’। ৩০ জুন ২০২৩ পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ব্যাংক ঋণের অবস্থান ও রেটিং প্রকাশের দিন পর্যন্ত কোম্পানিটির প্রাসঙ্গিক অন্যান্য গুণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যায়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিআরএবি)।
২০১৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সাইফ পাওয়ারটেকের অনুমোদিত মূলধন ৫০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৩৭৯ কোটি ৩৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১৬৮ কোটি ১৪ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৩৭ কোটি ৯৩ লাখ ৩৮ হাজার ৬৪৭। এর ৪০ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৭ দশমিক ৪৩ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৪২ দশমিক ৫১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।